স্যার অযান্ত্রিকের ৯০ আর ৯২ সালের পুরানো দুটো সংখ্যা ধরিয়ে দিলেন (অযান্ত্রিক - বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের টার্ম ম্যাগাজিন)। আমার কাজ হলো এগুলো কে পিডিএফ ফাইলে পরিনত করা। বাসায় এসে উলটেপালটে দেখলাম - ঝরঝরে অবস্থা, ভেতরে কয়েক জায়গায় সাইন পেনের আকিবুকি (স্যারের ছেলের কাজ মনে হয়)।
খুব সাবধানে পাতা উল্টাচ্ছি, কারণ এটাই শেষ নমুনা। একটা কবিতা মনে ধরেছে, লেখকের অনুমতি ছাড়াই তুলে দিলাম -
বিপ্লব বিশ্বাস
--------------------
যাচ্ছো যাও
টিকিট কাটার আগে শুধু একবার ভেবো,
তুমি যাচ্ছো না কোথাও,
কেন যাবে?
সেই ধু ধু দূরত্ব কেন বাড়াবে?
কাউন্টারে শুধু চুপিচুপি বলো,
না যাওয়ার টিকিট খানাই দিন।
যাওয়াই তো হলো - বহুদিন -
ভেতরে বাইরে কিংবা স্বপ্নে জাগরনে,
কম তো যাওনি,
তবে এবারকার মতো না হয় গোপনে
থেকে যাও।
=============================
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি......নাকি আমরা সবাই আটকে আছি একই জায়গায়?
৯০ ও ৯২ সালের সংখ্যাদুটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
Tuesday, July 24, 2007
যান্ত্রিকের একাল-সেকাল
শেষ বিদায়
মজার ব্যাপার হচ্ছে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত ম্যাগাজিনের সাথে এটার কোন পার্থক্য নেই। ছকবাধা সম্পাদকীয় আর বিভিন্ন স্যারদের বানী, দীপক স্যারের রসালো কিন্তু উপদেশমুলক লেখা, শেষ বর্ষের ছাত্রদের হায়হুতাশ - সব একই আছে। এবং সেই বছরও ছাত্ররা বিশ্বকাপ দেখার জন্য ক্লাস বর্জন করেছিলো।
Posted by
আশিক আহমেদ
at
7:49 PM
0
comments
Saturday, July 07, 2007
পদস্খলন
তড়িঘড়ি করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে বিপদ, পা পিছলে চিৎপটাং। কোনমতে বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম। আব্বা-আম্মা এসে হাত পা নাড়াচাড়া করে যখন নিশ্চিত হলেন হাড়গোড় ভাঙেনি, তখন শুরু হলো ঝাড়ির পালা। "তোকে যে কি জন্য ছাদে পাঠালাম...একটা কাজ যদি ঠিক মতো করিস" অথবা "এম্নিতেই ভারী শরীর, ব্যালেন্স কম" কিংবা "রেলিং ধরে নামবি না?" ইত্যাদি।
এই প্রসঙ্গ ধরে আমাদের পূর্বপুরুষ ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে কে কবে আছাড় খেয়ে কি রকম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন, সেই পরিসংখ্যানও বের হয়ে এলো। রোমাঞ্চকর সেই সব কাহিনী শুনে কোমরের ব্যাথা বেশ কম মনে হচ্ছে এখন!

আব্বা ফিরে গেলেন তার ছেলেবেলায়। সেই সময় নাকি একটা বিপত্তি প্রায়ই ঘটতো, টং (গোটা চারেক বাঁশের কলামের উপর অস্থায়ী ঘর) এর উপর নির্মিত শৌচাগার থেকে পা পিছলে লোকজন পড়ে যেত নিচে। তো একবার কালাচান নামক এক গৃহভৃত্য সেই নড়বড়ে স্থাপনার ওপর বসে গভীর ঘুমে মগ্ন। আব্বার দোর্দন্ডপ্রতাপ পিতৃব তাকে এ অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাঁক দিলেন "এই হারামজাদা! এখানে ঘুমাচ্ছিস কেন??!!" মনিবের হাঁক শুনে দ্রুত উঠে দাড়াতে গিয়ে ঘটলো দুর্ঘটনা, কালাচান পতিত হলো নিচের জলাধারে!
তারপর খালের পানিতে কয়েক দফা অবগাহনেও যখন সেই বিষম দুর্গন্ধের কোন ব্যবস্থা করা গেল না, পিতামহী আদেশ দিলেন দুধ দিয়ে গোসল করাতে। রাজকীয় এই আপ্যায়নের পর তাকে অন্তরীন করে রাখা হলো কিছুদিন, তারপর অনুমতি দেয়া হয় মনুষ্য সমাজে ফেরত আসার।
"যাই হোক, এইরকম ভোগান্তি থাকলেও অঙ্গহানির কোন ঘটনা ঘটতো না" আব্বা তার কাহিনী শেষ করলেন।
"তা ঠিক, কিন্তু মনুষ্য বর্জ্যের চৌবাচ্চায় একবার স্নান করার পর কেউই নাকি সেই ভীষণ স্মৃতি ভুলতে পারতো না" - পাশে উপবিষ্ট আলমগির ভাই জানালেন। "দুই-তিন বছর পর এমনিই মরে যেত............"
- কি ভয়াবহ!!!!
এই প্রসঙ্গ ধরে আমাদের পূর্বপুরুষ ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে কে কবে আছাড় খেয়ে কি রকম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন, সেই পরিসংখ্যানও বের হয়ে এলো। রোমাঞ্চকর সেই সব কাহিনী শুনে কোমরের ব্যাথা বেশ কম মনে হচ্ছে এখন!

আব্বা ফিরে গেলেন তার ছেলেবেলায়। সেই সময় নাকি একটা বিপত্তি প্রায়ই ঘটতো, টং (গোটা চারেক বাঁশের কলামের উপর অস্থায়ী ঘর) এর উপর নির্মিত শৌচাগার থেকে পা পিছলে লোকজন পড়ে যেত নিচে। তো একবার কালাচান নামক এক গৃহভৃত্য সেই নড়বড়ে স্থাপনার ওপর বসে গভীর ঘুমে মগ্ন। আব্বার দোর্দন্ডপ্রতাপ পিতৃব তাকে এ অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাঁক দিলেন "এই হারামজাদা! এখানে ঘুমাচ্ছিস কেন??!!" মনিবের হাঁক শুনে দ্রুত উঠে দাড়াতে গিয়ে ঘটলো দুর্ঘটনা, কালাচান পতিত হলো নিচের জলাধারে!
তারপর খালের পানিতে কয়েক দফা অবগাহনেও যখন সেই বিষম দুর্গন্ধের কোন ব্যবস্থা করা গেল না, পিতামহী আদেশ দিলেন দুধ দিয়ে গোসল করাতে। রাজকীয় এই আপ্যায়নের পর তাকে অন্তরীন করে রাখা হলো কিছুদিন, তারপর অনুমতি দেয়া হয় মনুষ্য সমাজে ফেরত আসার।
"যাই হোক, এইরকম ভোগান্তি থাকলেও অঙ্গহানির কোন ঘটনা ঘটতো না" আব্বা তার কাহিনী শেষ করলেন।
"তা ঠিক, কিন্তু মনুষ্য বর্জ্যের চৌবাচ্চায় একবার স্নান করার পর কেউই নাকি সেই ভীষণ স্মৃতি ভুলতে পারতো না" - পাশে উপবিষ্ট আলমগির ভাই জানালেন। "দুই-তিন বছর পর এমনিই মরে যেত............"
- কি ভয়াবহ!!!!
Posted by
আশিক আহমেদ
at
2:42 PM
1 comments
Subscribe to:
Posts (Atom)
